স্টিফেন হকিং একজন মেধাবী মহাবিশ্বতত্ত্ববিদ যিনি কৃষ্ণ গহ্বরের থিওরি
অন্তর্ভুক্ত করে আমাদের মহাবিশ্বের রহস্য গবেষণা করেছেন। মহাবিশ্বের রহস্য
পৃথিবীতে জানান দিতে সম্প্রতি তিনি ফেইসবুকে যুক্ত হয়েছেন। খবর সেলুন
ডটকমের।
ইতিমধ্যে হকিং নয় লাখ ভক্তকে তার ফেইসবুক ফ্যান পেজে ‘লাইক’ করতে উৎসাহ যোগিয়েছেন।
হকিং প্রথম পোস্টে লিখেন: ‘‘আমি সব সময় বিস্মিত হয়েছি, কী মহাবিশ্বকে জীবিত রাখছে। সময় এবং শুন্য সম্ভবত চিরকাল রহস্য থাকবে, কিন্তু এটা আমার চলার পথ বন্ধ করে নাই। একজনের সাথে অন্যের সংযোগ নিরবধি বেড়েছে, এবং এখন যেটা, সেটা হচ্ছে আমার একটা সুযোগ আছে, এই ভ্রমন তোমাদের সাথে আমি শেয়ার করতে উৎসুক। জানতে আগ্রহী হও, আমি জানি আমি চিরকাল থাকবো।’’
চলতি বছরের ৭ অক্টোবর থেকে হকিং ফেইসবুক’র সদস্য আছেন। কিন্তু শুক্রবার তার পোস্ট করা প্রথম লেখাটি মুছে ফেলা হয়।
স্টিফেন হকিং’র বায়োপিক ‘‘থিওরি অব এভরিথিংস, এ দেখানো হয়, ২১ বছর বয়সে তার শরীরে এএলএস (Amyotrophic lateral sclerosis)” রোগ ধরা পড়ে এবং তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার আবির্ভাব হয়। স্টিফেন হকিংস’র ওপর নির্মিত বায়োপিকটি ৭ নভেম্বর মুক্তি পাবে।
ইতিমধ্যে হকিং নয় লাখ ভক্তকে তার ফেইসবুক ফ্যান পেজে ‘লাইক’ করতে উৎসাহ যোগিয়েছেন।
হকিং প্রথম পোস্টে লিখেন: ‘‘আমি সব সময় বিস্মিত হয়েছি, কী মহাবিশ্বকে জীবিত রাখছে। সময় এবং শুন্য সম্ভবত চিরকাল রহস্য থাকবে, কিন্তু এটা আমার চলার পথ বন্ধ করে নাই। একজনের সাথে অন্যের সংযোগ নিরবধি বেড়েছে, এবং এখন যেটা, সেটা হচ্ছে আমার একটা সুযোগ আছে, এই ভ্রমন তোমাদের সাথে আমি শেয়ার করতে উৎসুক। জানতে আগ্রহী হও, আমি জানি আমি চিরকাল থাকবো।’’
চলতি বছরের ৭ অক্টোবর থেকে হকিং ফেইসবুক’র সদস্য আছেন। কিন্তু শুক্রবার তার পোস্ট করা প্রথম লেখাটি মুছে ফেলা হয়।
স্টিফেন হকিং’র বায়োপিক ‘‘থিওরি অব এভরিথিংস, এ দেখানো হয়, ২১ বছর বয়সে তার শরীরে এএলএস (Amyotrophic lateral sclerosis)” রোগ ধরা পড়ে এবং তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার আবির্ভাব হয়। স্টিফেন হকিংস’র ওপর নির্মিত বায়োপিকটি ৭ নভেম্বর মুক্তি পাবে।
Comments
Post a Comment