রাজধানীর শাহজানপুরের রেলওয়ে মাঠ সংলগ্ন 3০০ ফুট গভীর পাইপে আটকা পড়া চার বছর বয়সী শিশুটিকে ছয় ঘণ্টা পরও উদ্ধার করা যায়নি।
আজ শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত পাঁচবার বিভিন্ন কায়দায় দড়ি ফেলেও ১৪ ইঞ্চি ব্যাসের ওই পাইপ থেকে জিয়াউর নামের শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এখন ক্রেন দিয়ে টেনে চারশ থেকে ছয়শ ফুট দীর্ঘ পাইপটিতুলেএনেশিশুটিকেউদ্ধারের
চেষ্টা করা হবে বলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মেজর শাকিল নেওয়াজ জানান। তিনিই এ উদ্ধার অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
উদ্ধারকর্মীরা জানান, ওপর থেকে কয়েক বার চিৎকার করে ডেকে জিয়ার সাড়া পাওয়া গেছে। দড়িতে বেঁধে তার জন্য ফলের রসের বোতল পাঠানো হয়েছে। শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখতে গর্তে পাঠানো হচ্ছে অক্সিজেন।
কিন্তু দীর্ঘ সময়ে ঠাণ্ডার মধ্যে গভীর পাইপে থেকে ক্রমে নিস্তেজ হয়ে আসছে জিয়া। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেখঅনে আলোর ব্যবস্থাও করেছেন।
শিশুটির বাবা নাসিমউদ্দিন একটি প্রতিষ্ঠানের নৈশ প্রহরী হিসাবে কাজ করেন। সাংবাদিকদের তিনি জানান, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে খেলতে জিয়াউর ওই গর্তে পড়ে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বাচ্চাটিকে উদ্ধারের জন্য কাজ শুরু করে বলে ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা ব্রজেন কুমার সরকার জানান।
কিন্তু পাইপের ব্যস মাত্র ১৪ ইঞ্চি হওয়ায় তাদের কোনো চেষ্টায় এ পর্যন্ত সাফল্য আসেনি। পাঁচবারের মধ্যে চার দফা জিয়া ওপর থেকে ফেলা দড়ি ধরতে পারলেও তাকে তুলে আনা যায়নি।
এদিকে শিশু আটকা পড়ার খবরে বিপুল সংখ্যক মানুষ ওই এলাকায় ভিড় করেছে। টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে এই উদ্ধার অভিযানের দৃশ্য।
উৎসুক সাধারণ মানুষকে সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে শাহজাহানপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান।
আজ শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত পাঁচবার বিভিন্ন কায়দায় দড়ি ফেলেও ১৪ ইঞ্চি ব্যাসের ওই পাইপ থেকে জিয়াউর নামের শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এখন ক্রেন দিয়ে টেনে চারশ থেকে ছয়শ ফুট দীর্ঘ পাইপটিতুলেএনেশিশুটিকেউদ্ধারের
চেষ্টা করা হবে বলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মেজর শাকিল নেওয়াজ জানান। তিনিই এ উদ্ধার অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
উদ্ধারকর্মীরা জানান, ওপর থেকে কয়েক বার চিৎকার করে ডেকে জিয়ার সাড়া পাওয়া গেছে। দড়িতে বেঁধে তার জন্য ফলের রসের বোতল পাঠানো হয়েছে। শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখতে গর্তে পাঠানো হচ্ছে অক্সিজেন।
কিন্তু দীর্ঘ সময়ে ঠাণ্ডার মধ্যে গভীর পাইপে থেকে ক্রমে নিস্তেজ হয়ে আসছে জিয়া। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেখঅনে আলোর ব্যবস্থাও করেছেন।
শিশুটির বাবা নাসিমউদ্দিন একটি প্রতিষ্ঠানের নৈশ প্রহরী হিসাবে কাজ করেন। সাংবাদিকদের তিনি জানান, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে খেলতে জিয়াউর ওই গর্তে পড়ে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বাচ্চাটিকে উদ্ধারের জন্য কাজ শুরু করে বলে ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা ব্রজেন কুমার সরকার জানান।
কিন্তু পাইপের ব্যস মাত্র ১৪ ইঞ্চি হওয়ায় তাদের কোনো চেষ্টায় এ পর্যন্ত সাফল্য আসেনি। পাঁচবারের মধ্যে চার দফা জিয়া ওপর থেকে ফেলা দড়ি ধরতে পারলেও তাকে তুলে আনা যায়নি।
এদিকে শিশু আটকা পড়ার খবরে বিপুল সংখ্যক মানুষ ওই এলাকায় ভিড় করেছে। টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে এই উদ্ধার অভিযানের দৃশ্য।
উৎসুক সাধারণ মানুষকে সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে শাহজাহানপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান।

Comments
Post a Comment