ভিন্ন রিতিনীতি পালন করা কি উচিত?

নিউ ইয়ার-new year পালন
ইলেকট্রিক
প্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির
ফলে ঘরে ঘরে নিমিষে পৌঁছে যাচ্ছে বিধর্মী
আচার-অনুষ্ঠান। তারা যাই
করে মুসলিমের একাংশ তাদের পদাঙ্ক
অনুসরণ করে। তাদের উৎসব, সংস্কৃতি ও
ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো উপভোগ করে,
তাতে যোগ দেয় ও আনন্দ করে।
কি নববর্ষ, কি মৃত্যু বার্ষিকী, কি জন্ম
বার্ষিকী, কি বিবাহ বার্ষিকী,
কি বাবা দিবস, কি মা দিবস, কোনকিছুতেই কুণ্ঠাবোধ নেই।
তারা করছে তাই আমরা করছি। ভালো-
মন্দ, বৈধ-অবৈধ ও কুফর-শিরক
ভেবে দেখার ফুরসত নেই। তারা দীন
থেকে দূরে সরে গেছে,
ভুলে গেছে ইসলামী আদর্শ ও 
নবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী:
«ﻣَﻦْ ﺗَﺸَﺒَّﻪَ ﺑِﻘَﻮْﻡٍ ﻓَﻬُﻮَ ﻣِﻨْﻬُﻢْ »
“যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের
সাথে সামঞ্জস্য রাখল সে তাদের
অন্তর্ভুক্ত”।
এতো কঠোর হুশিয়ারি সত্বেও মুসলিম
তাদের অনুসরণে ঘটা করে প্রতিবছর
“থার্টিফাস্ট” উদযাপন করে। অথচ
নবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের
বিরোধিতা করার নির্দেশ
দিয়েছেন। আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু
‘আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
« ﻏَﻴِّﺮُﻭﺍ ﺍﻟﺸَّﻴْﺐَ، ﻭَﻟَﺎ ﺗَﺸَﺒَّﻬُﻮﺍ ﺑِﺎﻟْﻴَﻬُﻮﺩِ »
“তোমরা বার্ধক্যকে পরিবর্তন কর, কিন্তু
ইহুদিদের সাথে মিল রেখ না”।
বিবেকবান মুসলিম ভাইয়া ও আপুদের
বলবো শুধু কোন নববর্ষই মুসলমানদের
উৎসব নয়।
বরং তা পালনের মাধ্যমে ঈমান
হারা হয়ে জাহান্নামের ইন্ধন
হতে হবে। নওরোজ পালন ইসলামে সম্পূর্ণ
হারাম। সেদিক দিয়ে নিউ ইয়ার
পালন বিজাতীয় কালচার।
আর বর্ণিত
রয়েছেঃ যে বা যারা যে সম্প্রদায়ের
সাথে মিল মুহব্বত রাখে তাদের হাশর
নশর তাদের সাথেই হবে।
সুতরাং মুসলমান
হিসেবে যা আমরা কেউই তা চাইনা।
তাই আসুন নিউ ইয়ার পালন হতে বিরত থাকি
শয়তানের সাথে ঈমানী যুদ্ধের এইতো সময় 
কার্টেসি -রিদোয়ান

Comments